Skip to main content

Posts

দাড়ি রাখলে কী কী হয়!

♥♥♥দাড়ি রাখলে কী কী হয়♥♥♥ ♦আমরা আজ সেটা সম্পর্কে জানবো♦ ১.দাড়ি রাখলে ত্বক নষ্ট হয় না, ২.দাড়ি রাখলে ব্রন ওঠে না, ৩.দাড়ি রাখলে মুখের ত্বক(ক্যান্সার) হয় না, ৪.দাড়ি রাখলে যৌনতা বৃদ্ধি পায়, ৫.দাড়ি রাখলে ১০ নারীকে কন্ট্রোল করা যায়, ৬.দাড়ি রাখলে একজন মেয়ে মনে করে যে তার চরিত্র ভাল। ৭.এক সমিক্ষায় দেখা গেছে দাড়ি ওয়ালা ব্যক্তিকে নারীরা বেশি পছন্দ করে। ৮.দাড়ি রাখলে মানুষ আপনাকে সম্মান করবে, ৯.দাড়ি রাখলে ঠান্ডা ও গরমের টেম্পারেচার দরকার তাপমাত্রা দরকার তা ঠিক থাকে, ১০.আর যদি দৈনিক সেভ করে তাহলে তার যৌন শক্তি কমে যায়, চল্লিশ বছর পর তার যৌন শক্তি একেবারে ০ ভিতরে চলে আসে, ১১.দাড়ি রাখলে চোখের যতি ঠিক থাকে, ১২.দৈনিক দাড়ি সেভ করলে সৌন্দর্য কমে যায়, ১৩.দাড়ি রাখলে দুনিয়ার উপকার হবে,আখিরাতেও উপকার হবে, ১৪.দাড়ি সেভ করার পেছনে একটা মানুৃষ দেড় বছর সময় অপচয় করে,অনেক টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হয়,আচ্ছা এই টাকা যদি আমরা সাদকায়ে জারিয়া করি তাহলে,আখিরাতে ফল পাব কি পাব না, ১৫.দাড়ি রাখলে আল্লাহ্ ও রাসুলুল্লাহ খুশি হন, ১৬. দাড়ি রাখার দ্বারা সকল নবীর সাদৃশ্য গ্রহন করা হয়, ১৭.দাড়ি রাখলে নাবীজির শাফা'...
Recent posts

দরিদ্রতা আসে সাত জিনিসের কারন

♣♣দরিদ্রতা আসে সাত জিনিসের কারণে♣♣ . ১। তাড়াহুরা করে নামায পড়ার কারণে! ২। দাঁড়িয়ে পেশাব করার কারণে! ৩। পেশাবের জায়গায় অজু করার কারণে! ৪। দাঁড়িয়ে পানি পান করার কারণে! ৫। ফুঁ দিয়ে বাতি নিভানোর কারণে! ৬। দাঁত দিয়ে নখ কাটার কারণে! ৭। পরিধেয় বস্ত্র দ্বারা মুখ সাফ করার কারণে! . ♣♣সচ্ছলতা আসে সাত জিনিসের কারণে♣♣ . ১। কুরআন তেলাওয়াত করার কারণে। ২।পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার কারণে। ৩। আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করার কারণে। ৪। দরিদ্র ও অক্ষমদের সাহায্য করার কারণে। ৫। গোনাহের ক্ষমা প্রার্থনা করার কারণে। ৬। পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনদে র সাথে সদাচরণ করার কারণে। ৭। সকালে সূরা ইয়াসিন এবং সন্ধ্যায় সূরা ওয়াকিয়া তেলাওয়াত করার কারণে। . আল্লাহ আমাদের সবাইকে তওফিক দান করুক আমিন।

আযান

১। আযানের ১ম শব্দ হল আল্লাহ্ এবং শেষ শব্দ ও হল আল্লাহ্। এর মানে আল্লাহই শুরু এবং আল্লহই শেষ। ২। আযান শব্দটি পবিত্র কুরআনে সর্বমোট রয়েছে ৫ বার। আর আমাদের প্রতিদিন নামাজ ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করি। ৩। আযানের মধ্যে সর্বমোট শব্দ হল ৫০ টি। আর মহান আল্লাহ মিরাজের সময়  হযরত মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে  সর্বপ্রথম ৫০ ওয়াক্ত  ফরজ নামাজ দিয়েছিলেন। পরে তা কমিয়ে ৫ ওয়াক্ত করা হয়।   আর সহীহ হাদিস বলে একজন ব্যক্তি দৈনিক ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করলে মহান আল্লাহ্ তাকে ৫০ ওয়াক্তের সাওয়াব দিবেন। ৪। আযানের মধ্যে সর্বমোট ১৭ টি ভিন্ন অক্ষর রয়েছে। আর আমাদের প্রতিদিন ফরজ নামাজ হল ১৭ রাকাত। ফজর ২ + জোহর ৪ + আসর ৪ + মাগরিব ৩ + এশা ৪ মোট ১৭ রাকাত। ৫। আযানের মধ্যে সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত শব্দ হল আল্লাহ্। আল্লাহ্ শব্দের আলিফ অক্ষরটি সম্পূর্ণ আযানে আছে মোট ৪৭ বার, লাম অক্ষরটি ৪৫ বার এবং হা অক্ষরটি ২০ বার। সুতরাং,,তাদের যোগফলঃ  ৪৭+ ৪৫ + ২০ = ১১২। আর পবিত্র কুরআনের ১১২ নম্বর সূরা হল সূরা  ইখলাস।  যে সূরায় মহান আল্লাহ্ নিজেই নিজের  পরিচয় দিয়েছেন...

জন্ম_মৃত্যুর_আশ্চর্য_মিল

●●●#জন্ম_মৃত্যুর_আশ্চর্য_মিল ●●● ☆☆ যখন তুমি জন্ম গ্রহন করো , তখন তোমার কানে আযান দেওয়া হয়,, কিন্তু সালাত নয়। আবার যখন তুমি মৃত্যুবরণ করো , তখন সালাত আদায় হয় ,, আযান নয়। ☆☆যখন তুমি মাতৃগর্ভ থেকে বের হও, জানোনা ,,কে তোমাকে বের করেছে । এমনি ভাবে যখন তোমার মৃত্যু হয়,, তুমি জানো না কে তোমাকে কবরে রেখেছে । ☆☆ যখন তুমি জন্মগ্রহণ কর, তোমাকে গোসল দেওয়া হয়,, পরিষ্কার করা হয় ।অনুরুপ ভাবে যখন তুমি মৃত্যুবরণ করো,, তখন ও তোমাকে গোসল ও পরিচ্ছন্ন করা হয় । ☆☆যখন তুমি জন্মগ্রহণ কর, তখন জানো না কে খুশি হয়েছে এবং কে তোমাকে স্বাগত জানিয়েছে।এমনি ভাবে যখন তুমি মৃত্যুবরণ করো,, তখন জানো না কে তোমার জন্য কেঁদেছে এবং কে তোমার বিদায়ে দুঃখ প্রকাশ করেছে । ☆☆যখন তুমি মাতৃগর্ভে ছিলে,, সংকীর্ণ ও অন্ধকার স্থানে ছিলে ।আবার যখন তোমাকে কবরে রাখা হবে,, সংকীর্ণ ও অন্ধকার স্থানে রাখা হবে । ☆☆ যখন তুমি জন্মগ্রহণ করেছ, তখন তোমাকে একটি কাপড় দিয়ে জড়িয়ে ধরা হয়েছে । আবার যখন মৃত্যুবরণ করবে,, তোমাকে একটি কাপড় দিয়ে জড়িয়ে ঢেকে রাখা হবে । ☆☆ জন্মলাভ করে বড়ো হলে লোকেরা তোমার,, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জি...

ঘন্টার পর ঘন্টা একজন পরনারীর সাথে কথা বলার সময় আপনার মনটা কখনো এলার্ম দেয়? আমি যার সাথে কথা বলছি, প্রেমালাপ করছি ইসলাম কি এটার অনুমতি আছে?

ঘন্টার পর ঘন্টা একজন পরনারীর সাথে কথা বলার সময় আপনার মনটা কখনো এলার্ম দেয়? আমি যার সাথে কথা বলছি, প্রেমালাপ করছি ইসলাম কি এটার অনুমতি আছে? বস্তুত এই পাপের সমাজে পাপ কে আর পাপ মনে হয় না। একটা মেয়ের সাথে কথাই তো বলতাছি যৌন সম্পর্ক তো আর না। এভাবেই চলতে থাকে একটা ছেলের সাথে ৮/১০ টা মেয়ের ভাব বিনিময়। হয়তো আপনি বলবেন আমাদের রিলেশনশিপটা পবিত্র ৮/১০ জনের মতো না। আর ইসলাম বলে বিবাহের আগে বিপরীত লিঙ্গের সাথে সকল প্রকার ভাব বিনিময় হারাম। সবই করা হয় একটু শান্তির জন্য!!  দিন শেষে আপনি শান্তিতে আছেন কি? এসব পাপাচার লিপ্ত থেকেই ধরেন কাউকে বিবাহ করলেন। অধিকাংশ লাভ মেরিজ গুলো টিকে না পিছনে একটাই কারন.. আপনি যখন হারামে সুখ পেয়ে যাবেন হালালটা আর আপনার সহ্য হবে না। জীবন সঙ্গিণীর সব কিছু তো আগেই জানা শেষ.. নতুন করে তার সম্পর্কে জানার আগ্রহের প্রয়োজন পরে না। যখনই হালাল সম্পর্ক শুরু হয় তখনই আপনার মস্তিষ্ক বিকল্প রাস্তা খোঁজে। আর সয়তান তো এ কাজে সাহায্য করার জন্য একাই যতেষ্ট থাকে। যে পুরুষ বিবাহের আগে একটা পরনরীর সাথে সম্পর্ক রাখে সে যে বিবাহের পরে বৌ থাকা সত্বেও পরনারীর সাথে সম্পর্ক রাখবে না সেটা...

ইসমে আযম

ইসমে আযম ****  সাধারণত আল্লাহর পবিত্র নামকেই ‘ইসমে আ’যম (মহান নাম) বলা হয়। যার মাধ্যমে দোয়া করা হলে কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশী।  اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدَ لَا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ وَحْدَكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ، الْمَنَّانُ، يَا بَدِيعَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالْإِكرَامِ، يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস-আলুকা বি-আন্না লাকাল হা’মদু লা-ইলা-হা ইল্লা-আনতা ওয়াহ’দাকা লা-শারীকা লাকাল মান্না-ন, ইয়া বাদীআ’স্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল-আরদ্বি, ইয়া যাল জালা-লি ওয়াল-ইকরা-ম। ইয়া হা’ইয়্যু ইয়া ক্বাইয়্যুম। অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করি কারণ, সকল প্রশংসা আপনার, কেবলমাত্র আপনি ছাড়া আর কোনো সত্য ইলাহ নেই, আপনার কোনো শরীক নেই, আপনি সীমাহীন অনুগ্রহকারী। হে আসমানসমূহ ও যমীনের অভিনব স্রষ্টা! হে মহিমাময় ও মহানুভব! হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী-সর্বসত্ত্বার ধারক! ইসমে আযমের ফযীলতঃ ইসমে আযমের গুরত্ব হচ্ছে, এই নামে বা এই নামের ওসীলা দিয়ে আল্লাহকে ডাকলে বা তাঁর কাছে দুয়া করলে আল্লাহ সবচাইতে বেশি খুশি হন, এবং বান্দার দুয়া ...

মুসলমান_হয়েও_যারা_প্রথমবারে জান্নাতে যাবে না*

মুসলমান_হয়েও_যারা_প্রথমবারে জান্নাতে যাবে না* পরকালে মুক্তির জন্য ঈমান আনা অপরিহার্য। তাই কাফিররা চিরকাল জাহান্নামে থাকবে। *১৭ শ্রেণির মানুষ মুসলিম হয়েও জান্নাতে যাবে না* কিন্তু এমন কিছু কাজ আছে, যেগুলো করলে মুসলমান হয়েও প্রথমবারে জান্নাতে যাওয়া যাবে না। তারা ওই গুনাহর কারণে প্রথমে জাহান্নামে শাস্তি ভোগ করবে। এরপর আল্লাহ চাইলে তারা জান্নাতে যাবে। ওই ধরনের কিছু গুনাহ নিম্নরূপ— (1)#হারাম খাদ্য ভক্ষণকারী জান্নাতে যাবে না : হজরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে দেহ হারাম খাদ্য দ্বারা লালিত-পালিত হয়েছে, তা জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সুনানে বায়হাকি : ৫৫২০) (2)#আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে যাবে না : হজরত জুবাইর ইবনে মুতইম (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সহিহ বুখারি : ৫৫২৫) (3)#প্রতিবেশীকে কষ্ট দানকারী জান্নাতে যাবে না : হজরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যার অত্যাচার থেকে প্রতিবেশীরা নিরাপদ নয়, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে ...