Skip to main content

Posts

Showing posts from October, 2019

দাড়ি রাখলে কী কী হয়!

♥♥♥দাড়ি রাখলে কী কী হয়♥♥♥ ♦আমরা আজ সেটা সম্পর্কে জানবো♦ ১.দাড়ি রাখলে ত্বক নষ্ট হয় না, ২.দাড়ি রাখলে ব্রন ওঠে না, ৩.দাড়ি রাখলে মুখের ত্বক(ক্যান্সার) হয় না, ৪.দাড়ি রাখলে যৌনতা বৃদ্ধি পায়, ৫.দাড়ি রাখলে ১০ নারীকে কন্ট্রোল করা যায়, ৬.দাড়ি রাখলে একজন মেয়ে মনে করে যে তার চরিত্র ভাল। ৭.এক সমিক্ষায় দেখা গেছে দাড়ি ওয়ালা ব্যক্তিকে নারীরা বেশি পছন্দ করে। ৮.দাড়ি রাখলে মানুষ আপনাকে সম্মান করবে, ৯.দাড়ি রাখলে ঠান্ডা ও গরমের টেম্পারেচার দরকার তাপমাত্রা দরকার তা ঠিক থাকে, ১০.আর যদি দৈনিক সেভ করে তাহলে তার যৌন শক্তি কমে যায়, চল্লিশ বছর পর তার যৌন শক্তি একেবারে ০ ভিতরে চলে আসে, ১১.দাড়ি রাখলে চোখের যতি ঠিক থাকে, ১২.দৈনিক দাড়ি সেভ করলে সৌন্দর্য কমে যায়, ১৩.দাড়ি রাখলে দুনিয়ার উপকার হবে,আখিরাতেও উপকার হবে, ১৪.দাড়ি সেভ করার পেছনে একটা মানুৃষ দেড় বছর সময় অপচয় করে,অনেক টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হয়,আচ্ছা এই টাকা যদি আমরা সাদকায়ে জারিয়া করি তাহলে,আখিরাতে ফল পাব কি পাব না, ১৫.দাড়ি রাখলে আল্লাহ্ ও রাসুলুল্লাহ খুশি হন, ১৬. দাড়ি রাখার দ্বারা সকল নবীর সাদৃশ্য গ্রহন করা হয়, ১৭.দাড়ি রাখলে নাবীজির শাফা'...

দরিদ্রতা আসে সাত জিনিসের কারন

♣♣দরিদ্রতা আসে সাত জিনিসের কারণে♣♣ . ১। তাড়াহুরা করে নামায পড়ার কারণে! ২। দাঁড়িয়ে পেশাব করার কারণে! ৩। পেশাবের জায়গায় অজু করার কারণে! ৪। দাঁড়িয়ে পানি পান করার কারণে! ৫। ফুঁ দিয়ে বাতি নিভানোর কারণে! ৬। দাঁত দিয়ে নখ কাটার কারণে! ৭। পরিধেয় বস্ত্র দ্বারা মুখ সাফ করার কারণে! . ♣♣সচ্ছলতা আসে সাত জিনিসের কারণে♣♣ . ১। কুরআন তেলাওয়াত করার কারণে। ২।পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার কারণে। ৩। আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করার কারণে। ৪। দরিদ্র ও অক্ষমদের সাহায্য করার কারণে। ৫। গোনাহের ক্ষমা প্রার্থনা করার কারণে। ৬। পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনদে র সাথে সদাচরণ করার কারণে। ৭। সকালে সূরা ইয়াসিন এবং সন্ধ্যায় সূরা ওয়াকিয়া তেলাওয়াত করার কারণে। . আল্লাহ আমাদের সবাইকে তওফিক দান করুক আমিন।

আযান

১। আযানের ১ম শব্দ হল আল্লাহ্ এবং শেষ শব্দ ও হল আল্লাহ্। এর মানে আল্লাহই শুরু এবং আল্লহই শেষ। ২। আযান শব্দটি পবিত্র কুরআনে সর্বমোট রয়েছে ৫ বার। আর আমাদের প্রতিদিন নামাজ ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করি। ৩। আযানের মধ্যে সর্বমোট শব্দ হল ৫০ টি। আর মহান আল্লাহ মিরাজের সময়  হযরত মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে  সর্বপ্রথম ৫০ ওয়াক্ত  ফরজ নামাজ দিয়েছিলেন। পরে তা কমিয়ে ৫ ওয়াক্ত করা হয়।   আর সহীহ হাদিস বলে একজন ব্যক্তি দৈনিক ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করলে মহান আল্লাহ্ তাকে ৫০ ওয়াক্তের সাওয়াব দিবেন। ৪। আযানের মধ্যে সর্বমোট ১৭ টি ভিন্ন অক্ষর রয়েছে। আর আমাদের প্রতিদিন ফরজ নামাজ হল ১৭ রাকাত। ফজর ২ + জোহর ৪ + আসর ৪ + মাগরিব ৩ + এশা ৪ মোট ১৭ রাকাত। ৫। আযানের মধ্যে সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত শব্দ হল আল্লাহ্। আল্লাহ্ শব্দের আলিফ অক্ষরটি সম্পূর্ণ আযানে আছে মোট ৪৭ বার, লাম অক্ষরটি ৪৫ বার এবং হা অক্ষরটি ২০ বার। সুতরাং,,তাদের যোগফলঃ  ৪৭+ ৪৫ + ২০ = ১১২। আর পবিত্র কুরআনের ১১২ নম্বর সূরা হল সূরা  ইখলাস।  যে সূরায় মহান আল্লাহ্ নিজেই নিজের  পরিচয় দিয়েছেন...

জন্ম_মৃত্যুর_আশ্চর্য_মিল

●●●#জন্ম_মৃত্যুর_আশ্চর্য_মিল ●●● ☆☆ যখন তুমি জন্ম গ্রহন করো , তখন তোমার কানে আযান দেওয়া হয়,, কিন্তু সালাত নয়। আবার যখন তুমি মৃত্যুবরণ করো , তখন সালাত আদায় হয় ,, আযান নয়। ☆☆যখন তুমি মাতৃগর্ভ থেকে বের হও, জানোনা ,,কে তোমাকে বের করেছে । এমনি ভাবে যখন তোমার মৃত্যু হয়,, তুমি জানো না কে তোমাকে কবরে রেখেছে । ☆☆ যখন তুমি জন্মগ্রহণ কর, তোমাকে গোসল দেওয়া হয়,, পরিষ্কার করা হয় ।অনুরুপ ভাবে যখন তুমি মৃত্যুবরণ করো,, তখন ও তোমাকে গোসল ও পরিচ্ছন্ন করা হয় । ☆☆যখন তুমি জন্মগ্রহণ কর, তখন জানো না কে খুশি হয়েছে এবং কে তোমাকে স্বাগত জানিয়েছে।এমনি ভাবে যখন তুমি মৃত্যুবরণ করো,, তখন জানো না কে তোমার জন্য কেঁদেছে এবং কে তোমার বিদায়ে দুঃখ প্রকাশ করেছে । ☆☆যখন তুমি মাতৃগর্ভে ছিলে,, সংকীর্ণ ও অন্ধকার স্থানে ছিলে ।আবার যখন তোমাকে কবরে রাখা হবে,, সংকীর্ণ ও অন্ধকার স্থানে রাখা হবে । ☆☆ যখন তুমি জন্মগ্রহণ করেছ, তখন তোমাকে একটি কাপড় দিয়ে জড়িয়ে ধরা হয়েছে । আবার যখন মৃত্যুবরণ করবে,, তোমাকে একটি কাপড় দিয়ে জড়িয়ে ঢেকে রাখা হবে । ☆☆ জন্মলাভ করে বড়ো হলে লোকেরা তোমার,, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জি...

ঘন্টার পর ঘন্টা একজন পরনারীর সাথে কথা বলার সময় আপনার মনটা কখনো এলার্ম দেয়? আমি যার সাথে কথা বলছি, প্রেমালাপ করছি ইসলাম কি এটার অনুমতি আছে?

ঘন্টার পর ঘন্টা একজন পরনারীর সাথে কথা বলার সময় আপনার মনটা কখনো এলার্ম দেয়? আমি যার সাথে কথা বলছি, প্রেমালাপ করছি ইসলাম কি এটার অনুমতি আছে? বস্তুত এই পাপের সমাজে পাপ কে আর পাপ মনে হয় না। একটা মেয়ের সাথে কথাই তো বলতাছি যৌন সম্পর্ক তো আর না। এভাবেই চলতে থাকে একটা ছেলের সাথে ৮/১০ টা মেয়ের ভাব বিনিময়। হয়তো আপনি বলবেন আমাদের রিলেশনশিপটা পবিত্র ৮/১০ জনের মতো না। আর ইসলাম বলে বিবাহের আগে বিপরীত লিঙ্গের সাথে সকল প্রকার ভাব বিনিময় হারাম। সবই করা হয় একটু শান্তির জন্য!!  দিন শেষে আপনি শান্তিতে আছেন কি? এসব পাপাচার লিপ্ত থেকেই ধরেন কাউকে বিবাহ করলেন। অধিকাংশ লাভ মেরিজ গুলো টিকে না পিছনে একটাই কারন.. আপনি যখন হারামে সুখ পেয়ে যাবেন হালালটা আর আপনার সহ্য হবে না। জীবন সঙ্গিণীর সব কিছু তো আগেই জানা শেষ.. নতুন করে তার সম্পর্কে জানার আগ্রহের প্রয়োজন পরে না। যখনই হালাল সম্পর্ক শুরু হয় তখনই আপনার মস্তিষ্ক বিকল্প রাস্তা খোঁজে। আর সয়তান তো এ কাজে সাহায্য করার জন্য একাই যতেষ্ট থাকে। যে পুরুষ বিবাহের আগে একটা পরনরীর সাথে সম্পর্ক রাখে সে যে বিবাহের পরে বৌ থাকা সত্বেও পরনারীর সাথে সম্পর্ক রাখবে না সেটা...

ইসমে আযম

ইসমে আযম ****  সাধারণত আল্লাহর পবিত্র নামকেই ‘ইসমে আ’যম (মহান নাম) বলা হয়। যার মাধ্যমে দোয়া করা হলে কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশী।  اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدَ لَا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ وَحْدَكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ، الْمَنَّانُ، يَا بَدِيعَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالْإِكرَامِ، يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস-আলুকা বি-আন্না লাকাল হা’মদু লা-ইলা-হা ইল্লা-আনতা ওয়াহ’দাকা লা-শারীকা লাকাল মান্না-ন, ইয়া বাদীআ’স্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল-আরদ্বি, ইয়া যাল জালা-লি ওয়াল-ইকরা-ম। ইয়া হা’ইয়্যু ইয়া ক্বাইয়্যুম। অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করি কারণ, সকল প্রশংসা আপনার, কেবলমাত্র আপনি ছাড়া আর কোনো সত্য ইলাহ নেই, আপনার কোনো শরীক নেই, আপনি সীমাহীন অনুগ্রহকারী। হে আসমানসমূহ ও যমীনের অভিনব স্রষ্টা! হে মহিমাময় ও মহানুভব! হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী-সর্বসত্ত্বার ধারক! ইসমে আযমের ফযীলতঃ ইসমে আযমের গুরত্ব হচ্ছে, এই নামে বা এই নামের ওসীলা দিয়ে আল্লাহকে ডাকলে বা তাঁর কাছে দুয়া করলে আল্লাহ সবচাইতে বেশি খুশি হন, এবং বান্দার দুয়া ...

মুসলমান_হয়েও_যারা_প্রথমবারে জান্নাতে যাবে না*

মুসলমান_হয়েও_যারা_প্রথমবারে জান্নাতে যাবে না* পরকালে মুক্তির জন্য ঈমান আনা অপরিহার্য। তাই কাফিররা চিরকাল জাহান্নামে থাকবে। *১৭ শ্রেণির মানুষ মুসলিম হয়েও জান্নাতে যাবে না* কিন্তু এমন কিছু কাজ আছে, যেগুলো করলে মুসলমান হয়েও প্রথমবারে জান্নাতে যাওয়া যাবে না। তারা ওই গুনাহর কারণে প্রথমে জাহান্নামে শাস্তি ভোগ করবে। এরপর আল্লাহ চাইলে তারা জান্নাতে যাবে। ওই ধরনের কিছু গুনাহ নিম্নরূপ— (1)#হারাম খাদ্য ভক্ষণকারী জান্নাতে যাবে না : হজরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে দেহ হারাম খাদ্য দ্বারা লালিত-পালিত হয়েছে, তা জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সুনানে বায়হাকি : ৫৫২০) (2)#আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে যাবে না : হজরত জুবাইর ইবনে মুতইম (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সহিহ বুখারি : ৫৫২৫) (3)#প্রতিবেশীকে কষ্ট দানকারী জান্নাতে যাবে না : হজরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যার অত্যাচার থেকে প্রতিবেশীরা নিরাপদ নয়, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে ...

কিছু সুন্নাহ পুনরুজ্জীবনীমূলক আমল:

কিছু সুন্নাহ পুনরুজ্জীবনীমূলক আমল: _______ মোট ১১ টা টাস্ক দেয়া আছে। প্রথম ৫ টা সবাই করতে চেস্টা করবেন। এরপর যে যে কয়টা ইচ্ছা হয় করবেন। সব করতে হবে এমন কথা নেই। আমি নিজেও সবগুলা করিনা... ----- ১। আয়াতুল কুরসীঃ– প্রতি ফরজ নামাযের পরই একবার করে পড়বেন অবশ্যই অবশ্যই। আর রাতে ঘুমানোর আগে একবার। দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে ফরজ সালাতের পরে এই আমল চালু রাখলে মৃত্যুই হবে জান্নাতের পথে একমাত্র বাধা! সুবহান আল্লাহ! (নাসাঈর হাদীস) . ২। সুরা বাক্বারার শেষ দুই আয়াতঃ – রাতে ঘুমানোর আগে ১ বার পড়বেন। (বিঃ দ্রঃ অনেকে মুখস্ত করেন নি। দ্রুত করে নিবেন ) এটার ফযিলত বলে শেষ করা যাবেনা। রাতের বেলা এই দুই আয়াত পড়লে সেটাই ওই রাতের জন্য যথেষ্ট- এই মর্মে হাদীস এসেছে। কতই না বরকতময় এই দুই আয়াত! ) . ৩। প্রত্যেক ওযুর পর কালেমা শাহাদত পাঠ করুন (আশহাদু আন লা-~ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা~ শারীকা লাহূ ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আব্দুহূ ওয়া রাসূলুহূ) । এতে জান্নাতের ৮টি দরজার যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ২৩৪। ৪। সুরা ইখলাস – ১০ বার, না পারলে ৩ বার।...

গোসল সংক্রান্ত যে সকল বিষয় প্রত্যেক মুসলিমের জন্য জানা জরুরি)

(গোসল সংক্রান্ত যে সকল বিষয় প্রত্যেক মুসলিমের জন্য জানা জরুরি) ▬▬▬▬▬●●●▬▬▬▬▬ 🚿 গোসল ফরয (আবশ্যক) হওয়ার কারণ সমূহ: নিম্ন লিখিত কারণগুলোর যে কোন একটির মাধ্যমে গোসল ফরয (আবশ্যক) হয়: ১) স্বপ্নদোষ বা অন্য কোন কারণে (ঘুমন্ত বা জাগ্রত অবস্থায়-পুরুষ বা মহিলার) বীর্যপাত হওয়া। (বুখারী ও মুসলিম) ২) পুরুষ ও মহিলার লজ্জাস্থান পরস্পর মিলিত হলেই উভয়ের উপর গোসল ফরজ হয়- বীর্যপাত হোক বা না হোক। (আহমাদ, মুসলিম) ৩) মহিলাদের হায়েজ ও নেফাস তথা মাসিক ঋতুস্রাব বা সন্তান প্রসবোত্তর স্রাব বন্ধ হলে গোসলের মাধ্যমে পবিত্রতা অর্জন করা ফরয। ।  (সূরা বাকারা: ২২২) ৪) যুদ্ধ ময়দানের শহীদ ব্যতীত মৃত মুসলিম ব্যক্তিকে গোসল দেয়া জীবিতদের উপর ফরয। ৫) ইহুদী বা খৃষ্টান বা যে কোন কাফের ইসলাম গ্রহণ করলে তার উপর গোসল ফরয না কি মুস্তাহাব- এ বিষয়ে মহামতি ইমামদের মাঝে দ্বিমত রয়েছে।  ইমাম আহমদ বিন হাম্বলের অভিমত হল, কোন কাফের ইসলামে প্রবেশ করলে তার জন্য গোসল করা ফরয। পক্ষান্তরে জুমহুর (অধিকাংশ) ইমাম তথা  ইমাম আবু হানিফা, মালেক ও শাফেঈ প্রমূখের অভিমত হল, ইসলাম গ্রহণের পর গোসল করা মুস্তাহাব; ওয়াজিব নয় এবং এটি অধ...

সুরাহ মুলক তেলাওয়াত করার ফযীলতঃ

সুরাহ মুলক তেলাওয়াত করার ফযীলতঃ প্রতিদিন সুরাহ মুলক তেলাওয়াত করা গুরুত্বপূর্ণ একটি সুন্নত। অনেকে মনে করেন, সুরাহ মুলক শুধুমাত্র রাতের বেলাতেই পড়তে হবে, এটা ঠিক নয়। সুরাহ মুলক কেউ রাতের বেলা পড়লে সেটা উত্তম, তবে সুবিধামতো সময়ে দিনে বা রাতে, যেকোনো সময়েই তা পড়া যাবে। এই সুরার ফযীলত পাওয়ার জন্য হাদীসে যা বোঝানো হয়েছে হয়েছে তা হচ্ছে, এই সুরার দিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখা, সুরাটি মুখস্থ করা, এর অর্থ বোঝা এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সুরাটি নিয়মতি পড়া। সুরাটি মুখস্থ করে সালাতে পড়তে পারেল ভালো। তবে মুখস্থ না থাকলে, সালাতের বাইরে দেখে দেখে পড়লেও এই সুরার পূর্ণ ফযীলত পাওয়া যাবে। নাবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতিদিন সুরা মুলক পড়তেনঃ জাবির রাদিয়াল্লাহ আনহু থেকে বর্ণিত। “নাবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম সুরাহ ‘আলিফ লাম মীম তানজিলুল কিতাব’ (সুরাহ আস-সাজদা) ও ‘তাবারাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলকু’ (সুরা মুলক) না পড়ে ঘুমাতেন না।” হাদীসটি সহীহঃ তিরমিযী ২৮৯২, মুসনাদে আহমাদ ১৪৬৫৯, সুনানে দারেমি। তাহক্বীকঃ শায়খ শুয়া’ইব আরনাউত্ব বলেন, হাদীসটি সহীহ। শায়খ আহমাদ শাকির বলেন (হা/১৪৫৯৪) এর সানাদ সহ...

আয়াতুল কুরসির ফজিলত সমুহ

আয়াতুল কুরসির ফজিলত সমুহ:- ♦উবাই বিন কা’ব রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ ﷺ উবাই বিন কা’বকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, তোমার কাছে কোরআন মজিদের কোন আয়াতটি সর্ব মহান? তিনি বলেছিলেন, (আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুআল্ হাইয়্যূল কাইয়্যূম…) তারপর রাসূলুল্লাহ্ ﷺ নিজ হাত দ্বারা তার বক্ষে আঘাত করে বলেন, আবুল মুনযির! এই ইলমের কারণে তোমাকে ধন্যবাদ। ®(মুসলিম ১৩৯৬) ♦উবাই বিন কা’ব রাযি. থেকে বর্ণিত, তাঁর এক খেজুর রাখার থলি ছিল। সেটায় ক্রমশ তার খেজুর কমতে থাকত। একরাতে সে পাহারা দেয়। হঠাৎ যুবকের মত এক জন্তু দেখা গেলে, তিনি তাকে সালাম দেন। সে সালামের উত্তর দেয় । তিনি বলেন, তুমি কি? জিন না মানুষ? সে বলে, জিন। উবাই রাযি. তার হাত দেখতে চান। সে তার হাত দেয়। তার হাত ছিল কুকুরের হাতের মত আর চুল ছিল কুকুরের চুলের মত। তিনি বলেন, এটা জিনের সুরত। সে (জন্তু) বলে, জিন সম্প্রদায়ের মধ্যে আমি সবচেয়ে সাহসী। তিনি বলেন, তোমার আসার কারণ কি? সে বলে, আমরা শুনেছি আপনি সাদকা পছন্দ করেন, তাই কিছু সাদকার খাদ্যসামগ্রী নিতে এসেছি। সাহাবী বলেন, তোমাদের থেকে পরিত্রাণের উপায় কি? সে বলে, সূরা বাকারার এই আয়াতটি (আল্লাহু...

ভিটামিন-এ

ভিটামিন-এ শিশুদের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায় এবং ডায়রিয়া, হাম ও অন্ধত্বের ঝুঁকি কমায়। ✅ তাই ভিটামিন-এ'র চাহিদা পূরণ করতে শিশুকে বিভিন্ন ধরনের ফল ও শাক সবজি, ডিম, দুগ্ধজাত খাদ্য, কলিজা, মাছ- মাংস খাওয়াতে হবে।

গর্ভবতী প্রসূতি মায়ের সঠিক পুষ্টি

৬-২৪ মাস বয়সী শিশু, গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়ের সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করতে প্রতি ভাগ থেকে অন্তত একটি খাবার প্রতিদিন দিতে হবে- ✅ মাছ, ডিম, কলিজা, মাংস ✅ শাঁক, পাকা আম, পাকা পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া ✅ ঘন ডাল ✅ দুধ (গুড়া দুধ ছাড়া )

আজান দিলে কুকুর ঘেউ ঘেউ করে কেন?

আজান দিলে কুকুর ঘেউ ঘেউ করে কেন? আসুন জেনে নেয়া যাক। কুকুর ঘেউ ঘেউ করে কেন- জ্ঞানী অমুসলিমের জন্য জানার অনেক কিছু রয়েছে ইসলাম একমাত্র সত্য ধর্ম তার প্রমান বহন করে। কিছু নিষিদ্ধ কাজ:- (১) উপুর হয়ে বুকের উপরে ভর দিয়ে শোয়া নিষিদ্ধ, কারণ এইভাবে শয়তান শোয়। সহীহ বুখারী। (২) বাম হাতে খাওয়া বা পান করা নিষিদ্ধ, কারণ বাঁ হাতে শয়তান খায়। রিয়াদুস সালেহীন। (৩) পশুর হাড় দিয়ে ইস্তিঞ্জা করা নিষিদ্ধ, কারণ আল্লাহর নাম নিয়ে জবাই করা প্রাণীর হাড়গুলো যা মানুষেরা ফেলে দেয়, তা মুসলিম জিনদের খাবার। সহীহ বুখারী। (৪) সন্ধ্যা সময় বাচ্চাদের বাইরে বের হতে দিতে রাসুল (সাঃ) নিষেধ করেছেন এবং ঘরের দরজা জানালা বন্ধ রাখতে বলেছেন, কারণ তখন জিনেরা বাইরে বের হয়। (৫) আযান দিলে শয়তান জিনেরা বায়ু ছাড়তে ছাড়তে লোকালয় থেকে পলায়ন করে। আর কুকুর ও গাধা শয়তান জিনদেরকে দেখতে পেলে চিৎকার করে। একারণে, অনেক সময় ইশা বা ফযরের আযান দিলে কুকুরেরা চিৎকার চেচামেচি শুরু করে। কারণ তখন কুকুরেরা আযান শুনে পলায়নরত শয়তান জিনদের দেখতে পায়। উল্লেখ্য, রাতের বেলা কুকুর ও গাধার ডাক শুনলে”আউযুবিল্লাহি….রাজীম” ...

আঙ্গুলের ছাপ ভিন্ন

বিজ্ঞান বলছে , " প্রত্যেকের আঙ্গুলের ছাপ ভিন্ন ৷" পবিত্র কুরআন বলেছে , " হ্যাঁ , আমি তার আংগুলের অগ্রভাগসমুহও পুনর্বিন্যস্ত করতে সক্ষম ৷" সূরাঃ আল - কিয়ামাহ /৪